ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭৪০ কোটি ডলার

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 6

চলতি বছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ। রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রধান অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে ও ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ছয় বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এ দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি পণ্য খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ, ৪৬ কোটি ৪০ লাখ ও ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১০ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

সামগ্রিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কয়েকটি খাতের সম্প্রসারণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭৪০ কোটি ডলার

আপডেট সময় : ০৭:১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

চলতি বছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ। রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রধান অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে ও ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ছয় বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এ দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি পণ্য খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ, ৪৬ কোটি ৪০ লাখ ও ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১০ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

সামগ্রিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কয়েকটি খাতের সম্প্রসারণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।