ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পিবিআই হেফাজতে তাহসিফের বন্ধু দ্বীপ

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 11

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধুর মতো কাছের ছোট ভাই শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই।

পিবিআই জানায়, দ্বীপকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরে নেওয়া হয়েছে, যেহেতু দুইজন একসাথে ছিল। কোথায় কোথায় গিয়েছিল এ ধরনের তার দেওয়া কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই জানায়, বিমানবাহিনীর কর্মকর্মকর্তার মামলাটি তদন্ত করছে নৌ পুলিশ। ঘটনাটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় পিবিআই ছায়া তদন্ত করছে এবং নৌ পুলিশকে সহযোগিতা করছে।

পিবিআই আরও জানায়, ইতোমধ্যে নদীর অনুমান ৫০ গজ দূরে মাজার বস্তি এলাকায় একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেলটি ভিকটিমের কিনা তা যাচাই-বাছাই চলছে। নৌ পুলিশকে সহযোগিতার জন্যে পুলিশের অন্যান্য ইউনিট এর মতো কাজ করে যাচ্ছে পিবিআই। প্রাপ্ত তথ্য সবকিছু নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদের রাজাবাড়ি ঘাটসংলগ্ন নদ থেকে কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

তাহসিফ সাউরির স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বয়সে তাঁর চেয়ে ছোট তবে বন্ধুস্থানীয় আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ নামে একজন বাসার নিচে এসে তাহসিফকে ডাকেন। তাহসিফ তাঁর মাকে জানান, দীপের সঙ্গে কথা বলে বাসায় ফিরে আসবেন। তবে বাসার সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, তাহসিফ মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হচ্ছেন। দীপ ছিলেন আলাদা মোটরসাইকেলে।

রাতে ছেলের বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় মা একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁকে পাননি। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে মায়ের মোবাইল ফোনে একটি বার্তা আসে। তাতে বলা হয়, ‘মা, আসছি’। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পিবিআই হেফাজতে তাহসিফের বন্ধু দ্বীপ

আপডেট সময় : ১১:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধুর মতো কাছের ছোট ভাই শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই।

পিবিআই জানায়, দ্বীপকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরে নেওয়া হয়েছে, যেহেতু দুইজন একসাথে ছিল। কোথায় কোথায় গিয়েছিল এ ধরনের তার দেওয়া কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই জানায়, বিমানবাহিনীর কর্মকর্মকর্তার মামলাটি তদন্ত করছে নৌ পুলিশ। ঘটনাটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় পিবিআই ছায়া তদন্ত করছে এবং নৌ পুলিশকে সহযোগিতা করছে।

পিবিআই আরও জানায়, ইতোমধ্যে নদীর অনুমান ৫০ গজ দূরে মাজার বস্তি এলাকায় একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেলটি ভিকটিমের কিনা তা যাচাই-বাছাই চলছে। নৌ পুলিশকে সহযোগিতার জন্যে পুলিশের অন্যান্য ইউনিট এর মতো কাজ করে যাচ্ছে পিবিআই। প্রাপ্ত তথ্য সবকিছু নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদের রাজাবাড়ি ঘাটসংলগ্ন নদ থেকে কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

তাহসিফ সাউরির স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বয়সে তাঁর চেয়ে ছোট তবে বন্ধুস্থানীয় আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ নামে একজন বাসার নিচে এসে তাহসিফকে ডাকেন। তাহসিফ তাঁর মাকে জানান, দীপের সঙ্গে কথা বলে বাসায় ফিরে আসবেন। তবে বাসার সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, তাহসিফ মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হচ্ছেন। দীপ ছিলেন আলাদা মোটরসাইকেলে।

রাতে ছেলের বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় মা একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁকে পাননি। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে মায়ের মোবাইল ফোনে একটি বার্তা আসে। তাতে বলা হয়, ‘মা, আসছি’। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি।