ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চতুর্থ মেয়াদে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 40

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় ফিরেছেন বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।

প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ৮০ বছর বয়সি লুলা পেয়েছেন ৫১ দশমিক ৭৫ শতাংশ ভোট। তার ৪৫ বছর বয়সি প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও পেয়েছেন ৪৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।

প্রথম দফার নির্বাচনে ফ্লাভিওর কাছে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিলেন লুলা। এতে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে রবিবারের দ্বিতীয় দফার ভোটে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পেয়েছেন তিনি।

ব্রাজিলে ১৯৮০-এর দশকে গণতন্ত্র ফিরে আসার পর এই প্রথম প্রথম দফায় পিছিয়ে থাকা কোনো প্রার্থী দ্বিতীয় দফায় জয় পেলেন।

প্রথম দফার ভোটে লুলা ২২ লাখ ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। এবার তিনি ৪৩ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

প্রথম দফায় রেকর্ড ২১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার ভোট দেননি। দ্বিতীয় দফায় এই হার কমে ১৯ দশমিক ২১ শতাংশে নেমে আসে।

লুলার সমর্থকরা বলছেন, ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে পারাই ছিল তার জয়ের অন্যতম প্রধান কৌশল।

ভোটের ফল নিশ্চিত হওয়ার পর সাও পাওলোতে লুলার সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। শহরটিতে থেকেই তিনি ভোট গণনার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। যে হোটেলে তিনি ফল দেখছিলেন, সেখানেও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

লুলার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রেজিনালদো লোপেস বলেছেন, এই জয় তাকে অভিভূত করেছে। তার ভাষ্য, ব্রাজিলের জনগণ বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে, উগ্র ডানপন্থা ফ্যাসিবাদী এবং তা কৃষ্ণাঙ্গ, দরিদ্র, রাষ্ট্র ও সমকামীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এখন দেশে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে পুনর্গঠনের সময় এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চতুর্থ মেয়াদে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় ফিরেছেন বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।

প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ৮০ বছর বয়সি লুলা পেয়েছেন ৫১ দশমিক ৭৫ শতাংশ ভোট। তার ৪৫ বছর বয়সি প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও পেয়েছেন ৪৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।

প্রথম দফার নির্বাচনে ফ্লাভিওর কাছে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিলেন লুলা। এতে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে রবিবারের দ্বিতীয় দফার ভোটে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পেয়েছেন তিনি।

ব্রাজিলে ১৯৮০-এর দশকে গণতন্ত্র ফিরে আসার পর এই প্রথম প্রথম দফায় পিছিয়ে থাকা কোনো প্রার্থী দ্বিতীয় দফায় জয় পেলেন।

প্রথম দফার ভোটে লুলা ২২ লাখ ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। এবার তিনি ৪৩ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

প্রথম দফায় রেকর্ড ২১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার ভোট দেননি। দ্বিতীয় দফায় এই হার কমে ১৯ দশমিক ২১ শতাংশে নেমে আসে।

লুলার সমর্থকরা বলছেন, ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে পারাই ছিল তার জয়ের অন্যতম প্রধান কৌশল।

ভোটের ফল নিশ্চিত হওয়ার পর সাও পাওলোতে লুলার সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। শহরটিতে থেকেই তিনি ভোট গণনার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। যে হোটেলে তিনি ফল দেখছিলেন, সেখানেও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

লুলার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রেজিনালদো লোপেস বলেছেন, এই জয় তাকে অভিভূত করেছে। তার ভাষ্য, ব্রাজিলের জনগণ বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে, উগ্র ডানপন্থা ফ্যাসিবাদী এবং তা কৃষ্ণাঙ্গ, দরিদ্র, রাষ্ট্র ও সমকামীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এখন দেশে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে পুনর্গঠনের সময় এসেছে।