ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুলশানে ক্লাবে অভিযান, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 27

ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের এক বিনোদনকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ১৭৭ লিটার বিদেশি মদ ও ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করার কথা জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় সেখানকার ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামে নিবন্ধিত, যা ‘জার্মান ক্লাব’ নামেই বেশি পরিচিত।

ডিএনসির সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, বার লাইসেন্স ছাড়াই সেখানে বিদেশি মদ মজুতের পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হচ্ছিল।

অভিযানে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ, যার পরিমাণ ১৭৭ লিটার, এবং ২০৯টি বোতল ও ক্যানে ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীমের বয়স ৪২ বছর। অভিযানের সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে ছিলেন। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার প্রমাণ চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

ডিএনসি বলছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকেট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব আয়োজনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গুলশানে ক্লাবে অভিযান, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

আপডেট সময় : ১২:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের এক বিনোদনকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ১৭৭ লিটার বিদেশি মদ ও ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করার কথা জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় সেখানকার ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামে নিবন্ধিত, যা ‘জার্মান ক্লাব’ নামেই বেশি পরিচিত।

ডিএনসির সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, বার লাইসেন্স ছাড়াই সেখানে বিদেশি মদ মজুতের পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হচ্ছিল।

অভিযানে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ, যার পরিমাণ ১৭৭ লিটার, এবং ২০৯টি বোতল ও ক্যানে ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীমের বয়স ৪২ বছর। অভিযানের সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে ছিলেন। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার প্রমাণ চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

ডিএনসি বলছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকেট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব আয়োজনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো।