রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত
- আপডেট সময় : ০৭:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
- / 21
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সময় ও তারিখ অনুযায়ী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে। এর আগে নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-দাম্মাম রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিগত দুইদিনে ঢাকায় সৌদিগামী অন্তত ৫০টি ফ্লাইট স্থগিত বা বাতিল হয়ে গেছে।
স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও নতুন যাত্রাসূচি সম্পর্কে যথাসময়ে হালনাগাদ তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিমান।
এর আগে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে রিয়াদ বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা-রিয়াদ রুটের ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে রিয়াদগামী যাত্রীদের যাত্রাসূচি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এদিকে ফ্লাইট স্থগিতের কারণে যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
সোমবার বেবিচকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনার কারণে বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট উভয়ই বিঘ্নিত হয়েছে।
সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি, সাউদিয়া এয়ারলাইনসের ৩টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের ৩টি নিয়ে মোট ১২টি সরাসরি ফ্লাইট বিঘ্নিত হয়েছে।
এছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের ১৬টি, সালাম এয়ারের ৩টি, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৫টি নিয়ে মোট ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট বিঘ্নিত হয়েছে।
সব মিলিয়ে মোট ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইট ৫১টি, যার মধ্যে ১২টি সরাসরি ও ৩৯টি ট্রানজিট।
এসব ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ৫ হাজারের বেশি যাত্রী। বেবিচকের তথ্যমতে, মোট ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রী ৫ হাজার ৪১৮ জন।
ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেও অনেকে ফিরতে পারছেন না সৌদি আরবে।
অন্যদিকে, রিয়াদে আটকে পড়েছেন দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা হাজারো যাত্রী। কবে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।




























