ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা: পুলিশ

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 33

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৪) হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, অটোরিকশাচালক সুমনই তাজমিনকে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া।

তিনি জানান, স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শর্টকাটের কথা বলে তাকে ভুল পথে নিয়ে যায় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক। এরপর ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাকে শ্বাসরোধ করে ও মাথায় পা দিয়ে চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে ৮ তারিখ লালমাই উপজেলার জগতপুর চরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশ থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে চালক সুমন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়াতলা গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সে আর স্কুলে যাচ্ছিল না।

তার বাবা আব্দুল আলিম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা অঞ্চলে চাকরি করেন। পরিবারের সঙ্গে তিনি কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা: পুলিশ

আপডেট সময় : ১১:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৪) হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, অটোরিকশাচালক সুমনই তাজমিনকে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া।

তিনি জানান, স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শর্টকাটের কথা বলে তাকে ভুল পথে নিয়ে যায় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক। এরপর ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাকে শ্বাসরোধ করে ও মাথায় পা দিয়ে চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে ৮ তারিখ লালমাই উপজেলার জগতপুর চরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশ থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে চালক সুমন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়াতলা গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সে আর স্কুলে যাচ্ছিল না।

তার বাবা আব্দুল আলিম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা অঞ্চলে চাকরি করেন। পরিবারের সঙ্গে তিনি কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।