ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদেশি বিনিয়োগ পাইপলাইনে ১৩০০ কোটি ডলার

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5

দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ঘোষিত ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় বন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল, জ্বালানি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগসেবায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি হয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল, চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, ঢাকা বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে।

একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের বিনিয়োগ পাইপলাইনে এখন ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন তথা ১৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে। এর মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

১৬ মার্চ ঘোষিত ১৮০ দিনের পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এ অগ্রগতি প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন
কয়েক দফা কমার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
মার্চে ঘোষিত ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির আওতায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। তিনটি স্তম্ভ—উন্নত অবকাঠামো, বিনিয়োগ সহায়তা ও বিনিয়োগ উন্নয়নকে কেন্দ্র করে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে উন্নত অবকাঠামো, দ্রুত ও কার্যকর সেবা এবং বিনিয়োগযোগ্য সুযোগের শক্তিশালী পাইপলাইনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

কিছু পরিবর্তন ইতোমধ্যে কার্যকর হলেও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল

অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগগুলোর একটি লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল। ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েছে। চালু হলে টার্মিনালটি ৭০০টির বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং বন্দরের সক্ষমতা ৪৪ শতাংশ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ১৫ বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ইজারার জন্য একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা চলছে।

চীনা অর্থনৈতিক শিল্পাঞ্চল

চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও সম্পন্ন হয়েছে। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ অঞ্চলের প্রত্যাশিত বিনিয়োগ পাইপলাইন ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সক্রিয় পাইপলাইন রয়েছে। প্রকল্পটি এক লাখের বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এখানে ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

বন্দরগুলোতে সেবা-সুবিধা বাড়ানো

বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৪ ঘণ্টা বন্দর কার্যক্রম, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছে। ঢাকা বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর কার্গো সুবিধা চালু হলে বার্ষিক পণ্য পরিবহন সক্ষমতা দুই লাখ টন থেকে পাঁচ লাখ টনে উন্নীত হবে, যা ১৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। এতে ছয় হাজারের বেশি সরাসরি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো এফডিআই প্রণোদনা স্কিম। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বিদেশি ইকুইটি আনতে ভূমিকা রাখা যোগ্য ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ইকুইটির ১.২৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশিকা অনুমোদিত হয়েছে। এ জন্য পৃথক পোর্টালও প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশের এ ধরনের প্রথম প্রণোদনা উদ্যোগটি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে প্রবেশ

এদিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এর আওতায় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। পাশাপাশি উৎপাদন, অবকাঠামো, ইলেকট্রনিকস ও অন্যান্য উচ্চমূল্যের খাতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

বিনিয়োগ পাইপলাইনে চীন থেকে সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে ৬০০ মিলিয়ন ডলার, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০০ মিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার। খাতভিত্তিকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার করে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০০ মিলিয়ন ডলার করে সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে।

এ ছাড়া পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার একরের বেশি শিল্পজমিতে ৪৪টি বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। হোটেল শৈবালকে সরকারি পর্যটন স্থাপনায় বেসরকারি বিনিয়োগের প্রথম পাইলট পিপিপি প্রকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার অনুমতি, অ্যাকুয়াকালচার জোনের প্রাক্-সম্ভাব্যতা যাচাই এবং দেশব্যাপী শিল্প মানচিত্রায়নের কাজও এগিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিদেশি বিনিয়োগ পাইপলাইনে ১৩০০ কোটি ডলার

আপডেট সময় : ১১:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ঘোষিত ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় বন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল, জ্বালানি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগসেবায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি হয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল, চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, ঢাকা বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে।

একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের বিনিয়োগ পাইপলাইনে এখন ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন তথা ১৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে। এর মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

১৬ মার্চ ঘোষিত ১৮০ দিনের পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এ অগ্রগতি প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন
কয়েক দফা কমার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
মার্চে ঘোষিত ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির আওতায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। তিনটি স্তম্ভ—উন্নত অবকাঠামো, বিনিয়োগ সহায়তা ও বিনিয়োগ উন্নয়নকে কেন্দ্র করে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে উন্নত অবকাঠামো, দ্রুত ও কার্যকর সেবা এবং বিনিয়োগযোগ্য সুযোগের শক্তিশালী পাইপলাইনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

কিছু পরিবর্তন ইতোমধ্যে কার্যকর হলেও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল

অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগগুলোর একটি লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল। ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েছে। চালু হলে টার্মিনালটি ৭০০টির বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং বন্দরের সক্ষমতা ৪৪ শতাংশ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ১৫ বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ইজারার জন্য একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা চলছে।

চীনা অর্থনৈতিক শিল্পাঞ্চল

চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও সম্পন্ন হয়েছে। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ অঞ্চলের প্রত্যাশিত বিনিয়োগ পাইপলাইন ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সক্রিয় পাইপলাইন রয়েছে। প্রকল্পটি এক লাখের বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এখানে ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

বন্দরগুলোতে সেবা-সুবিধা বাড়ানো

বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৪ ঘণ্টা বন্দর কার্যক্রম, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছে। ঢাকা বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর কার্গো সুবিধা চালু হলে বার্ষিক পণ্য পরিবহন সক্ষমতা দুই লাখ টন থেকে পাঁচ লাখ টনে উন্নীত হবে, যা ১৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। এতে ছয় হাজারের বেশি সরাসরি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো এফডিআই প্রণোদনা স্কিম। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বিদেশি ইকুইটি আনতে ভূমিকা রাখা যোগ্য ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ইকুইটির ১.২৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশিকা অনুমোদিত হয়েছে। এ জন্য পৃথক পোর্টালও প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশের এ ধরনের প্রথম প্রণোদনা উদ্যোগটি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে প্রবেশ

এদিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এর আওতায় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। পাশাপাশি উৎপাদন, অবকাঠামো, ইলেকট্রনিকস ও অন্যান্য উচ্চমূল্যের খাতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

বিনিয়োগ পাইপলাইনে চীন থেকে সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে ৬০০ মিলিয়ন ডলার, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০০ মিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার। খাতভিত্তিকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার করে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০০ মিলিয়ন ডলার করে সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে।

এ ছাড়া পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার একরের বেশি শিল্পজমিতে ৪৪টি বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। হোটেল শৈবালকে সরকারি পর্যটন স্থাপনায় বেসরকারি বিনিয়োগের প্রথম পাইলট পিপিপি প্রকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার অনুমতি, অ্যাকুয়াকালচার জোনের প্রাক্-সম্ভাব্যতা যাচাই এবং দেশব্যাপী শিল্প মানচিত্রায়নের কাজও এগিয়েছে।