মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরে চরম বিশৃঙ্খলা
- আপডেট সময় : ১১:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 10
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনে গভীর প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দেশের ভেতরে নেতৃত্বের সংকট এবং বিদেশে সামরিক সক্ষমতার ওপর বাড়তে থাকা চাপ—দুইয়ের সমন্বয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।
বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর ছয় মাসের মাথায় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, যখন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত কমে এসেছে এবং মন্ত্রীর জবাবদিহিতার মাত্রা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সোমবার (৩১ সেপ্টেম্বর) সামরিক নেতৃত্বে সর্বশেষ বড় পদত্যাগের ঘটনা ঘটে। ওই দিন আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকল পদত্যাগ করেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের উদীয়মান তারকা হিসেবে বিবেচিত ড্রিসকলকে ইউক্রেন-সংক্রান্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক দায়িত্বের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব ও আধুনিকায়ন নিয়ে হেগসেথের সঙ্গে কয়েক মাসের মতবিরোধের পর তিনি পদ ছাড়েন।
এর আগে সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে হেগসেথ বরখাস্ত করেন। ড্রিসকলের পদত্যাগের ফলে ইরান যুদ্ধের মধ্যেই সেনাবাহিনী সিনেট-অনুমোদিত বেসামরিক বা সামরিক নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। হেগসেথ এরই মধ্যে প্রায় সব বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা পদচ্যুত করেছেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান, নৌবাহিনীর শীর্ষ অ্যাডমিরাল এবং সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ।
ওয়াশিংটন পোস্টের হিসাবে, হেগসেথের দায়িত্ব গ্রহণের পর পেন্টাগনের দুই ডজনের বেশি শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত হয়েছেন। তিনি প্রায় পুরো জয়েন্ট চিফসকেই নতুন করে সাজিয়েছেন। তার অধীন থাকা মেরিন কোর ও স্পেস ফোর্সের প্রধানরাই কেবল এখনো নিজ নিজ পদে বহাল রয়েছেন।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, চলতি বছর পদোন্নতির তালিকা থেকে হেগসেথ ব্যক্তিগতভাবে অন্তত ৪৫ জন কর্মকর্তার নাম বাদ দিয়েছেন। ঐতিহ্যগতভাবে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে দূরে থাকা পদোন্নতি ব্যবস্থায় এটিকে ব্যতিক্রমী হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
























