ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্র্যান্ডিংয়ে অস্বাভাবিক ব্যয়, নেপথ্যে কারা?

এসএম শামীম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 120

ব্র্যাক ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা ও স্থাপনায় সাইনেজ, ব্র্যান্ডিং ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে অস্বাভাবিক ব্যয়ের অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে অনুসন্ধান।

এনবি২৪-এর অনুসন্ধানী টিমের কাছে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেছেন, সাইনেজ ও ব্র্যান্ডিংয়ের কিছু কাজে প্রচলিত বাজারদরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব কাজের বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

শুধু নতুন সাইনেজ নয়, পুরোনো সাইনেজের লাইট ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের সার্ভিসিং নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। সংশ্লিষ্টদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে কাজের প্রকৃত ব্যয় ও বিলের অঙ্কের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যায়।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—একই ধরনের কাজের জন্য বাজারদরের সঙ্গে এত বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে কেন?

আর যদি একাধিক প্রতিষ্ঠান একই ধরনের কাজ করার সক্ষমতা রাখে, তাহলে কাজের বড় অংশ বারবার একই প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে কীভাবে?

নজরে ভেন্ডর নির্বাচন

ব্র্যাক ব্যাংকের নিজস্ব ই-টেন্ডার ব্যবস্থায় ভেন্ডর এনলিস্টমেন্টের জন্য ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, টিআইএন, বিআইএনসহ বিভিন্ন নথি জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

তাহলে কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিংসহ অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাংকের ভেন্ডর হিসেবে কী প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হলো? প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে কি একাধিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতিযোগিতামূলক দর নেওয়া হয়? সর্বনিম্ন বা যৌক্তিক দর থাকা সত্ত্বেও অন্য প্রতিষ্ঠান বাদ পড়লে তার কারণ কী?

আরও একটি প্রশ্ন—কাজের চাহিদা তৈরি থেকে শুরু করে কোটেশন, অনুমোদন, ওয়ার্ক অর্ডার, কাজ যাচাই এবং বিল পরিশোধ—প্রতিটি ধাপে সিদ্ধান্ত নেন কারা?

এনবি২৪-এর অনুসন্ধান এখানেই থেমে নেই।

আগামী পর্বে: কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিং কীভাবে ব্র্যাক ব্যাংকের ভেন্ডর হলো, কাজ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কতগুলো প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় এবং কাজের মূল্য নির্ধারণে কী ধরনের নথি ব্যবহার করা হয়েছে—সেসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হবে।

নোট: এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিষয়গুলো প্রাথমিক অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগের বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংক ও কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিংয়ের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্র্যান্ডিংয়ে অস্বাভাবিক ব্যয়, নেপথ্যে কারা?

আপডেট সময় : ০১:১৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ব্র্যাক ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা ও স্থাপনায় সাইনেজ, ব্র্যান্ডিং ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে অস্বাভাবিক ব্যয়ের অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে অনুসন্ধান।

এনবি২৪-এর অনুসন্ধানী টিমের কাছে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেছেন, সাইনেজ ও ব্র্যান্ডিংয়ের কিছু কাজে প্রচলিত বাজারদরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব কাজের বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

শুধু নতুন সাইনেজ নয়, পুরোনো সাইনেজের লাইট ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের সার্ভিসিং নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। সংশ্লিষ্টদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে কাজের প্রকৃত ব্যয় ও বিলের অঙ্কের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যায়।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—একই ধরনের কাজের জন্য বাজারদরের সঙ্গে এত বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে কেন?

আর যদি একাধিক প্রতিষ্ঠান একই ধরনের কাজ করার সক্ষমতা রাখে, তাহলে কাজের বড় অংশ বারবার একই প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে কীভাবে?

নজরে ভেন্ডর নির্বাচন

ব্র্যাক ব্যাংকের নিজস্ব ই-টেন্ডার ব্যবস্থায় ভেন্ডর এনলিস্টমেন্টের জন্য ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, টিআইএন, বিআইএনসহ বিভিন্ন নথি জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

তাহলে কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিংসহ অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাংকের ভেন্ডর হিসেবে কী প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হলো? প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে কি একাধিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতিযোগিতামূলক দর নেওয়া হয়? সর্বনিম্ন বা যৌক্তিক দর থাকা সত্ত্বেও অন্য প্রতিষ্ঠান বাদ পড়লে তার কারণ কী?

আরও একটি প্রশ্ন—কাজের চাহিদা তৈরি থেকে শুরু করে কোটেশন, অনুমোদন, ওয়ার্ক অর্ডার, কাজ যাচাই এবং বিল পরিশোধ—প্রতিটি ধাপে সিদ্ধান্ত নেন কারা?

এনবি২৪-এর অনুসন্ধান এখানেই থেমে নেই।

আগামী পর্বে: কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিং কীভাবে ব্র্যাক ব্যাংকের ভেন্ডর হলো, কাজ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কতগুলো প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় এবং কাজের মূল্য নির্ধারণে কী ধরনের নথি ব্যবহার করা হয়েছে—সেসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হবে।

নোট: এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিষয়গুলো প্রাথমিক অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগের বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংক ও কোহিনূর অ্যাডভার্টাইজিংয়ের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।