ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে স্বস্ত্বির খবর

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 25

দেশের গ্যাস সরবরাহে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ঘণ্টায় প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, শুরুতে সরবরাহের পরিমাণ সীমিত থাকলেও ধাপে ধাপে তা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সামিট টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হলে জাতীয় গ্রিডে ঘাটতি কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এর আগে বৈরী আবহাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকায় সামিটের এলএনজি টার্মিনালে থাকা কার্গো থেকে গ্যাস সরবরাহে জটিলতা দেখা দেয়। একপর্যায়ে কার্গো সরিয়ে নেওয়ার পর টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

সামিটের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এমনিতেই চলমান গ্যাস সংকট আরও প্রকট হয়। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানায়। পাশাপাশি সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকেরাও ভোগান্তিতে পড়েন।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় রান্নার কাজে সমস্যায় পড়েন অনেক আবাসিক গ্রাহক। শিল্প খাতেও গ্যাসের স্বল্পতার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এখন সামিট টার্মিনাল থেকে সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা নির্ভর করবে টার্মিনাল থেকে ধাপে ধাপে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ওপর।

জ্বালানি বিভাগের হিসাবে, সরবরাহ ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি নেওয়া সম্ভব হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও আবাসিক খাতে চলমান গ্যাস সংকটের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে স্বস্ত্বির খবর

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

দেশের গ্যাস সরবরাহে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ঘণ্টায় প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, শুরুতে সরবরাহের পরিমাণ সীমিত থাকলেও ধাপে ধাপে তা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সামিট টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হলে জাতীয় গ্রিডে ঘাটতি কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এর আগে বৈরী আবহাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকায় সামিটের এলএনজি টার্মিনালে থাকা কার্গো থেকে গ্যাস সরবরাহে জটিলতা দেখা দেয়। একপর্যায়ে কার্গো সরিয়ে নেওয়ার পর টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

সামিটের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এমনিতেই চলমান গ্যাস সংকট আরও প্রকট হয়। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানায়। পাশাপাশি সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকেরাও ভোগান্তিতে পড়েন।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় রান্নার কাজে সমস্যায় পড়েন অনেক আবাসিক গ্রাহক। শিল্প খাতেও গ্যাসের স্বল্পতার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এখন সামিট টার্মিনাল থেকে সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা নির্ভর করবে টার্মিনাল থেকে ধাপে ধাপে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ওপর।

জ্বালানি বিভাগের হিসাবে, সরবরাহ ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি নেওয়া সম্ভব হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও আবাসিক খাতে চলমান গ্যাস সংকটের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।