ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মস্তিষ্কে স্মৃতি-আচরণ বোঝার পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 16

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ বছর নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি। বিজয়ীরা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ, জার্মানি পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস নিয়ে তাঁদের আবিষ্কারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। নোবেল কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হেগম্যান ও নাগেল ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামে একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁরা দেখতে পান, এই প্রোটিনটি যেকোনো কোষে প্রবেশ করানো হলে সেটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে, গবেষণাগারে ইঁদুরের স্নায়ুকোষে চ্যানেলরোডপসিনের জিন প্রবেশ করান ডাইসেরথ। এরপর ওই কোষগুলোতে নীল আলো ফেলে তিনি স্নায়বিক সংকেত (নার্ভ সিগন্যাল) চালু বা ট্রিগার করতে সক্ষম হন। পরে তিনি দেখান, জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও স্নায়ুকোষের জন্য আলো-নিয়ন্ত্রিত সুইচটি কাজ করে।

আলো দিয়ে স্নায়বিক সংকেত নিয়ন্ত্রণের এই পদ্ধতিটি বর্তমানে ‘অপটোজেনেটিকস’ নামে পরিচিত। পুরস্কার ঘোষণার সময় নোবেল অ্যাসেম্বলি বলে, অপটোজেনেটিকস এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে জীবিত মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষ কীভাবে স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণ গড়ে তোলে তা দেখা সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মস্তিষ্কে স্মৃতি-আচরণ বোঝার পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী

আপডেট সময় : ০৪:১৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ বছর নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি। বিজয়ীরা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ, জার্মানি পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস নিয়ে তাঁদের আবিষ্কারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। নোবেল কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হেগম্যান ও নাগেল ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামে একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁরা দেখতে পান, এই প্রোটিনটি যেকোনো কোষে প্রবেশ করানো হলে সেটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে, গবেষণাগারে ইঁদুরের স্নায়ুকোষে চ্যানেলরোডপসিনের জিন প্রবেশ করান ডাইসেরথ। এরপর ওই কোষগুলোতে নীল আলো ফেলে তিনি স্নায়বিক সংকেত (নার্ভ সিগন্যাল) চালু বা ট্রিগার করতে সক্ষম হন। পরে তিনি দেখান, জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও স্নায়ুকোষের জন্য আলো-নিয়ন্ত্রিত সুইচটি কাজ করে।

আলো দিয়ে স্নায়বিক সংকেত নিয়ন্ত্রণের এই পদ্ধতিটি বর্তমানে ‘অপটোজেনেটিকস’ নামে পরিচিত। পুরস্কার ঘোষণার সময় নোবেল অ্যাসেম্বলি বলে, অপটোজেনেটিকস এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে জীবিত মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষ কীভাবে স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণ গড়ে তোলে তা দেখা সম্ভব।