ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণঘাতী দুই আগাছানাশক নিষিদ্ধ

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17

কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত অত্যন্ত বিষাক্ত আগাছানাশক প্যারাকোয়াট ও গ্লাইফোসেট ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। দেশে থাকা এই গ্রুপের বালাইনাশকের মজুত আগামী ছয় মাসের মধ্যে শূন্য করতে হবে। একই সঙ্গে এ গ্রুপের বালাইনাশক আমদানি, নতুন নিবন্ধন এবং বিদ্যমান পণ্যের লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠিত বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির (পিটাক) ৯১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশকের মজুত ৩৯৫ টন। চিঠি জারির পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে এই মজুত শূন্য করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে গ্লাইফোসেটের ক্ষেত্রে কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, গ্লাইফোসেট গ্রুপের বালাইনাশকের অবস্থা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পিটাকের ৮৮তম সভায় নেওয়া আগের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক বলেন, প্যারাকোয়াট ও গ্লাইফোসেট– দুটিই আগাছা দমনে ব্যবহৃত রাসায়নিক। তবে জনস্বাস্থ্য নিয়ে প্যারাকোয়াটের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ অনেক বেশি। এবারের পিটাক সভায় বিপজ্জনক বালাইনাশক বাজার থেকে প্রত্যাহারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন, বন্দরে বালাইনাশক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি, গবেষণা করে ভারী ধাতু দূষণের উৎস খুঁজে দেখার মতো বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রাণঘাতী দুই আগাছানাশক নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ১১:৫১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত অত্যন্ত বিষাক্ত আগাছানাশক প্যারাকোয়াট ও গ্লাইফোসেট ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। দেশে থাকা এই গ্রুপের বালাইনাশকের মজুত আগামী ছয় মাসের মধ্যে শূন্য করতে হবে। একই সঙ্গে এ গ্রুপের বালাইনাশক আমদানি, নতুন নিবন্ধন এবং বিদ্যমান পণ্যের লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠিত বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির (পিটাক) ৯১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশকের মজুত ৩৯৫ টন। চিঠি জারির পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে এই মজুত শূন্য করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে গ্লাইফোসেটের ক্ষেত্রে কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, গ্লাইফোসেট গ্রুপের বালাইনাশকের অবস্থা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পিটাকের ৮৮তম সভায় নেওয়া আগের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক বলেন, প্যারাকোয়াট ও গ্লাইফোসেট– দুটিই আগাছা দমনে ব্যবহৃত রাসায়নিক। তবে জনস্বাস্থ্য নিয়ে প্যারাকোয়াটের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ অনেক বেশি। এবারের পিটাক সভায় বিপজ্জনক বালাইনাশক বাজার থেকে প্রত্যাহারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন, বন্দরে বালাইনাশক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি, গবেষণা করে ভারী ধাতু দূষণের উৎস খুঁজে দেখার মতো বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।