ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১৩০বার

এনবি২৪ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1

উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আরও একবার পেছাল। বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিতে না পারায় ফের তারিখ পেছানো হয়।

ঢাকা মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ৫ নভেম্বর ধার্য করেন। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১৩০ বার পেছাল।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। ঘটনার চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র্যাবের (বর্তমানে এসআরবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১৩০বার

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আরও একবার পেছাল। বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিতে না পারায় ফের তারিখ পেছানো হয়।

ঢাকা মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ৫ নভেম্বর ধার্য করেন। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১৩০ বার পেছাল।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। ঘটনার চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র্যাবের (বর্তমানে এসআরবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।